তিস্তার পেটে ‘ভোরের পাখি’ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনের ১০ দিনের মাথায়ও নেওয়া হয়নি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে শেষ রক্ষা হলো না গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের একমাত্র শিক্ষার আলো ছড়ানো ‘ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সরেজমিনে পরিদর্শনের মাত্র ১০ দিনের মাথায় সম্পূর্ণ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানটি। স্থানীয়দের অভিযোগ, চোখের সামনে স্কুলটি বিলীন হওয়ার উপক্রম হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি কোনো কার্যকর ব্যবস্থা। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার গ্রামে অবস্থিত এই বিদ্যালয়ের টিনশেড ভবন ও ওয়াশব্লকসহ সব স্থাপনা একে একে তিস্তার পেটে চলে যায়। ভাঙনের তীব্রতায় বর্তমানে বিদ্যালয়ের অবশিষ্ট কিছু মালামাল তড়িঘড়ি করে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষকদের ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও বিদ্যালয়টি রক্ষায় কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ ছিল না। ১০ দিন আগে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এলাকাটি নিজে ঘুরে দেখে অবিলম্বে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে কোনো কাজ শুরু না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত চরাঞ্চলের একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে তলিয়ে গেল। বিদ্যালয়টি হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে চরাঞ্চলের শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থীর পড়াশোনা। নিজের চোখেই চোখের সামনে বিদ্যালয় বিলীন হতে দেখে এক শিক্ষার্থী কেঁদে উঠে বলে, “স্কুল ঘর তো নদীত চলি গেল, আমরা এখন কই ক্লাস করব?” এ বিষয়ে চরাঞ্চলের অধিবাসী ও শিক্ষকমণ্ডলী দ্রুত বিকল্প স্থানে অস্থায়ী ভিত্তিতে পাঠদান চালুর পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি তিস্তা নদীর এই অবধারিত ভাঙন ঠেকাতে অবিলম্বে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন।
শিশুদের অধিকার, নিরাপত্তা, শিক্ষা ও সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে দেশব্যাপী পালিত হয়েছে শিশু অধিকার দিবস। একই সঙ্গে বাংলাদেশ শিশু...
জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের পথে, ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ বিতর্কে ভাষণ জাতিসংঘ সাধারণ...

