সরিষাবাড়ীতে সংরক্ষিত নারী সদস্য ও স্বামীর ওপর হামলার অভিযোগ
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পারিবারিক সম্পত্তি ভাগাভাগি ও জমি বিক্রিকে কেন্দ্র করে আওনা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য জেসমিন আক্তার ও তাঁর স্বামী মো. সালাউদ্দিন তুহিনের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় স্বর্ণের চেইন, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেছেন তাঁরা।
ভুক্তভোগীদের দাবি, গত ২৫ সেপ্টেম্বর তাঁরা উপজেলার গোয়ালবাথান এলাকায় একটি সম্পত্তি বিক্রিসংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তাঁরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মো. সালাউদ্দিন তুহিনের সঙ্গে তাঁর আপন ভাই ফেরদৌসের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক সম্পত্তি, টাকা-পয়সা ও জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি ফেরদৌস তাঁর ভাইকে না জানিয়ে গোয়ালবাথান গ্রামের সরবতের কাছে একটি সম্পত্তি বিক্রি করেছেন বলে দাবি করেন সালাউদ্দিন তুহিন।
বিষয়টি জানতে সালাউদ্দিন তুহিন সরবতের বাড়িতে গিয়ে জমি বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে তাঁকে পরবর্তীতে আসতে বলা হয় বলে তিনি জানান। পরে সালাউদ্দিন তুহিন তাঁর স্ত্রী ও আওনা ইউনিয়ন পরিষদের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য জেসমিন আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সেখানে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মিজান, শরবত, হাসনা, শিখাসহ কয়েকজন তাঁদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে তাঁদের ওপর হামলা ও মারধর করা হয়।
জেসমিন আক্তারের দাবি, তাঁকে প্রথমে মারধর করা হলে তাঁর স্বামী সালাউদ্দিন তুহিন তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান। এ সময় তাঁর স্বামীর মাথার পেছনে আঘাত করা হয়। পরে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সালাউদ্দিন তুহিনের ভাষ্য, তিনি আগে দুইবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। ঘটনার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।
এদিকে জেসমিন আক্তার ও সালাউদ্দিন তুহিনের দাবি, ঘটনার সময় জেসমিন আক্তারের গলায় থাকা প্রায় ১২ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, তাঁর ব্যবহৃত Samsung Galaxy A07 মোবাইল ফোন, সালাউদ্দিন তুহিনের একটি বাটন মোবাইল ফোন, নগদ ৫ হাজার ৮০০ টাকা এবং একটি ডায়েরি নিয়ে যাওয়া হয়।
ভুক্তভোগীদের আরও দাবি, সালাউদ্দিন তুহিনের বড় ভাই ফেরদৌসের নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে ফেরদৌসসহ অভিযুক্ত অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী জেসমিন আক্তার ও সালাউদ্দিন তুহিন সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ।
খুলনা নগরীর সরকারি ব্রজলাল (বিএল) কলেজের ২ নম্বর গেট এলাকায় এক যুবককে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে। এতে মহিদুল (২২) নামে এক যুবক আহত হয়েছেন।আহত মহ...
খুলনার দিঘলিয়ার ফরমাইশখানায় চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় গুলিতে নিহত হয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল-জনযুদ্ধ)-এর আঞ্...

