কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণায় পাকিস্তানি আলেমদের জোর দাবি
ঢাকার ঐতিহাসিক সমাবেশে পাকিস্তানের খ্যাতনামা আলেমরা কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে একক অবস্থান তুলে ধরেছেন। বক্তারা বলেন, “আমরা ভূগোলভিত্তিকভাবে আলাদা হলেও আমাদের কালেমার বন্ধন একই। পাকিস্তানে যেমন ব্রিটিশদের বিতাড়িত করে কাদিয়ানীদের মোকাবিলা করা হয়েছে, তেমনি বাংলাদেশও এই ফিতনা থেকে রক্ষা পাবে—ইনশাআল্লাহ।”
পাকিস্তানি আলেমরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এই সংগ্রাম শুধু সমাবেশে বসে বক্তৃতা দেওয়ার নয়, বরং সময় এসেছে এসব আলেমকে বাংলাদেশের সংসদে বসে খতমে নবুয়তের মামলা লড়ার মতো শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করার। তারা ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনে বলেন, “মুফতি মাহমুদ, গুলাম গোস হাজদারভী, আল্লামা আজম তারিক—এরা সংসদে বসে নবুয়ত-সংক্রান্ত ফিতনার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। আজ সেই দায়িত্ব বয়ে নিচ্ছেন মওলানা ফজলুর রহমান। বাংলাদেশেও এমন নেতৃত্ব দরকার।”
বক্তারা ঘোষণা করেন,
“আজ আপনারা মাঠে আছেন, কাল ইনশাআল্লাহ সংসদেও থাকবেন। খতমে নবুয়তের নিরাপত্তা পাহারা আপনাদের হাতেই হবে।”
তারা আরও স্পষ্ট করে বলেন,
“খতমে নবুয়ত মানে শুধু এ বিশ্বাস নয় যে হুজুর (সা.) শেষ নবী। বরং এর অর্থ হলো—তার পরে কেউ নবুয়ত দাবি করলে সে মিথ্যাবাদী, কাজ্জাব, দাজ্জাল, কাফের এবং মুরতাদ। আর যে তাকে মানে সেও কাফের, সেও মুরতাদ।”
পাকিস্তানের জাকির আলেমরা অঙ্গীকার করেন,
“খতমে নবুয়তের আকিদা রক্ষায় আমাদের মাথা কেটে গেলেও আমরা পিছু হটবো না। জামীতে উলেমায়ে ইসলাম পাকিস্তান এই লড়াই চালিয়ে যাবে কেয়ামত পর্যন্ত।”
সমাবেশ জুড়ে বক্তাদের কথায় ছিল দৃঢ় প্রতিশ্রুতি এবং মুসলিম উম্মাহকে এক আকিদার পতাকায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান।
গোপালপুরে রাবেয়া বসরী নূরানী শিক্ষাবৃত্তি ফাউন্ডেশনের পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় রাবেয়া বসরী নূরানী শ...
ঢাকার এক অনুষ্ঠিত বিশাল জনসমাবেশে খতমে নবুয়ত আন্দোলনের নেতা আব্বাসী কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেন। তিনি দাবি করেন, “বিএনপি...

