কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা না করলে কাউকে ক্ষমতায় পাঠানো হবে না: আব্বাসীর হুঁশিয়ারি
ঢাকার এক অনুষ্ঠিত বিশাল জনসমাবেশে খতমে নবুয়ত আন্দোলনের নেতা আব্বাসী কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেন। তিনি দাবি করেন, “বিএনপি হোক, জামায়াত হোক—যে রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয়ভাবে কুখ্যাত কাফের কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করবে, শুধুমাত্র তাকেই আমরা নির্বাচিত করে ক্ষমতায় পাঠাবো।”
আব্বাসী বলেন, খতমে নবুয়তের আকিদা ইসলামের মূল বিশ্বাস। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পরে কেউ নবুয়ত দাবি করলে সে ইসলামের বাইরে এবং যারা তাকে কাফের বলবে না, তারাও কাফের—এ কথা তিনি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলো সেকুলার রাজনীতির অজুহাতে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করতে চায় না। তার বক্তব্যে প্রশ্ন ছিল, “গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কি শুধু অমুসলিমদের অধিকার রক্ষার জন্য? দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের মৌলিক দাবি আদায় না হলে সেই সংবিধান মানার মতো কিছু থাকে না।”
আব্বাসী আরও বলেন, বর্তমান সরকারের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে কাদিয়ানীদের নতুন নতুন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী দিয়ে তাদের পাহারা দেওয়া হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যদি তারা সংখ্যালঘু হয়, তবে তাদেরকে সংখ্যালঘু ঘোষণা করতে সমস্যা কোথায়?”
কাদিয়ানীদের তিনি “ইহুদিদের চেয়েও নিকৃষ্ট কাফের” ও “জিন্দিক” আখ্যা দিয়ে বলেন, শরীয়তের আইনে তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তবে বাংলাদেশ যেহেতু সেকুলার রাষ্ট্র, তাই দাবি মাত্র একটি—রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদেরকে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন,
“ইসলামী রাজনীতির দোহাই দেন, কিন্তু কেন আপনারা কর্মসূচিতে বলেন না যে সংসদে গেলে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করবেন? পশ্চিমারা রাগ করবে বলে কি ভয়? ভারতের বা যুক্তরাষ্ট্রের তাবেদারী করে কেউ টিকতে পারবে না।”
অবশেষে তিনি ঘোষণা দেন,
“এক সাগর রক্তের বিনিময় হলেও বাংলাদেশে কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে—এই দাবি আদায় হবেই।”
সভা শেষে দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
গোপালপুরে রাবেয়া বসরী নূরানী শিক্ষাবৃত্তি ফাউন্ডেশনের পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় রাবেয়া বসরী নূরানী শ...
ঢাকার এক অনুষ্ঠিত বিশাল জনসমাবেশে খতমে নবুয়ত আন্দোলনের নেতা আব্বাসী কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেন। তিনি দাবি করেন, “বিএনপি...

