ট্রাম্প ও আঞ্চলিক নেতারা শার্মুশ শেইখে গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর; বন্দি-হোস্টেজ বিনিময় বাস্তবায়িত
জীবিত শেষ ২০ ইসরায়েলি বন্দি মুক্ত—ইসরায়েল প্রায় ১,৭০০–২,০০০ ফিলিস্তিনি বন্দি রিলিজ শুরু করেছে; হামাস বলেছে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দিদের বিরুদ্ধে 'ফ্যাসিবাদী' নির্যাতনের প্রমাণ আছে।
মিশরের পর্যটন শহর শার্মুশ শেইখে অনুষ্ঠিত ‘শান্তি সম্মেলনে’ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আঞ্চলিক নেতৃত্ব—মিশরের আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ও তুরস্কের রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান—একটি মধ্যস্থতাবিহীন চুক্তির নথিতে স্বাক্ষর করেছেন। ট্রাম্প ওই চুক্তিকে 'ঐতিহাসিক' আখ্যা দেন এবং বলেন, গাজায় যুদ্ধ শেষ হয়েছে।
চুক্তির প্রথম ধাপে হামাস গৃহীত করেছে শেষ জীবিত ২০ ইসরায়েলি হোস্টেজের মুক্তি এবং বদলে ইসরায়েল প্রায় ১,৭০০–২,০০০ ফিলিস্তিনি বন্দি ও আটককারীদের মুক্তি কার্যক্রম শুরু করেছে—যাদের মধ্যে বিভিন্ন আইনি স্থিতি বা অভিযোগবিহীন বন্দিরা রয়েছেন। একই সাথে মৃত বন্দিদের দেহাবশেষযুক্ত কফিন তুলে দেওয়ার ঘটনাও সংঘটিত হয়।
চুক্তির সময় ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে এখন মানবিক সহায়তার প্রবাহ বাড়ানো হবে—শত শত ট্রাক খাদ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জাম গাজায় পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং পুনর্গঠনের জন্য আরব ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নের প্রস্তাব প্রস্তুত। সম্মেলনে ভবিষ্যতে গাজার প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত দ্বিতীয় ধাপের কাঠামো নিয়ে আলোচনা শুরু করার কথাও স্থির করা হয়েছে।
হামাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, মুক্ত হওয়া বন্দিরা "দুই বছর ধরে তারা যে ভয়াবহ মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে, তা আধুনিক যুগে নিমর্ম ও ফ্যাসিবাদের চিত্র তুলে ধরে" এবং তারা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছে। পার্সটুডে খবর অনুযায়ী হামাস এ ধরনের অভিযোগ তোলেছে এবং ইসরায়েলের কারাগারে বন্দিদের বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত অপরাধের কথা তুলে ধরেছে।
চুক্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত একটি সূত্র বলেছে, এরপরের ধাপে গাজায় একটি নতুন শাসন কাঠামো, আরব ও মুসলিম দেশগুলোর সমন্বয়ে একটি নিরাপত্তা বাহিনী এবং বৈদেশিক অর্থায়নে পুনর্গঠন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হবে—কিন্তু এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এখনও বহু কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা জটিলতা থেকে যায়। বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা ও পুনরুদ্ধার কাজের চ্যালেঞ্জ এখনই স্পষ্ট।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বন্দি-হোস্টেজ বিনিময় ও সাময়িক যুদ্ধবিরতি অঞ্চলকে স্বস্তির নিঃশ্বাস দিলেও গাজার দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসন, দায়িত্বশিয়োগ ও মানবিক পুনর্গঠন কিভাবে হবে—এবং হামাসের ভবিষ্যত ভূমিকা কী হবে—এসবই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সম্মেলনে ইরানসহ কিছু দেশকে আমন্ত্রণ বা অংশগ্রহণ নিয়ে মিশ্র তথ্যও রিপোর্ট হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শ্রীপুর বুড়া মসজিদে জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম উদযাপন উপলক্ষে আজিমু...
পবিত্র মাহে রমযান আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস এ উপলক্ষে নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরশহরের ৬নং ওয়ার্ডে দশাল আকবরিয়া মাদরাসা মিলনায়তনে স্থানীয় আলেম ওল...

